Syed Anas Pasha

Syed Anas Pasha

রমজানের তহবিল সংগ্রহে ব্রিটিশ চ্যারিটি কমিশনের নজরদারি

সৈয়দ আনাস পাশা, লন্ডন করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
রমজানের তহবিল সংগ্রহে ব্রিটিশ চ্যারিটি কমিশনের নজরদারি
লন্ডন: পবিত্র রমজানকে ঘিরে টেলিভিশন চ্যানেলসহ অন্যান্য মাধ্যমে বিভিন্ন সংগঠনের তহবিল সংগ্রহ প্রোগ্রাম এবার পড়েছে ব্রিটিশ চ্যারিটি কমিশনের কঠোর নজরদারিতে। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় মৌলবাদের সাম্প্রতিক উত্থান ও জঙ্গি সহিংসতার করণেই এ কঠোর নজরদারি। এই ধারণা  বিশ্লেষকদের।

চ্যারিটি তহবিল সংগ্রহের বিষয়টি নজরে রাখা চ্যারিটি কমিশনের নিয়মিত কাজ হলেও এবার এ নজরদারি আরো কঠোর করার সিদ্ধান্তকে অনেকেই অন্য চোখে দেখছেন। সম্প্রতি ব্রিটেনের বার্কলেজ ব্যাংক দক্ষিণ এশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে মানি ট্রান্সফার কোম্পানিগুলোর মানি ট্রান্সফারের সুযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। আর এর কারণ হিসেবেও জঙ্গি কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলোর কাছে অর্থপাচারের অভিযোগ বেশ আলোচিত হচ্ছে।

মানি ট্রান্সফারের সুযোগ ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি রোশনারা আলী যখন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে দেন-দরবার শুরু করেছেন, ঠিক তখনই রমজানের চ্যারিটি কার্যক্রমে শুরু হয়েছে আলাদা নজরদারি। আর তাই মানি ট্রান্সফার বন্ধ ও চ্যারিটি তহবিল সংগ্রহে নজরদারির বিষয় দু’টির মধ্যে যোগসূত্র আছে বলেও মনে করছেন কেউ কেউ।

তহবিল সংগ্রহে জালিয়াতি

চ্যারিটি কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর তহবিল সংগ্রহকারী প্রতি ১০টি সংগঠনের মধ্যে একটি জালিয়াতি করেছে। অর্থাৎ ওই একটি সংগঠনের সংগ্রহকৃত অর্থ নির্ধারিত খাতে ব্যয় না করে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই এ অভিযোগকে সামনে রেখেই এবারের রমজানে চ্যারিটি তহবিল সংগ্রহ কার্যক্রমটি কঠোর ভাবে নজরদারিতে নিয়ে এসেছে চ্যারিটি কমিশন।

কমিশন চ্যারিটি সংগঠনগুলো সম্পর্কে পুরোপুরি যাচাই করে দান করার পরামর্শ দিয়েছে দাতাদের। দানের আগে চ্যারিটির নাম ও নিবন্ধন নম্বর খতিয়ে দেখা, পাবলিক প্লেসে চ্যারিটি আবেদনের জন্যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা পুলিশের অনুমোদন আছে কিনা তা চেক করা, চ্যারিটি আবেদনের সময় কর্মীদের পরিচয়পত্র এবং চ্যারিটি বক্স সিলগালা আছে কি না তা দেখা, টিভি চ্যানেল বা রেডিও চ্যারিটি আবেদনে দান করার আগে ইন্টারনেটে গিয়ে ‘অফকম’ (ইন্ডিপেন্ডেন্ট রেগুলেটর অ্যান্ড কমপিটিশন অথরিটি ফর দ্য ইউকে কমিউনিকেশনস ইন্ডাস্ট্রিজ) নিয়ম দেখা ইত্যাদি খতিয়ে দেখে চ্যারিটিতে দান করার পরামর্শ দিয়েছে চ্যারিটি কমিশন।

বাংলানিউজে পাঠানো চ্যারিটি কমিশনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অধিকাংশ চ্যারিটি আবেদন সঠিক হলেও কিছু কিছু মানুষ নিজেদের স্বার্থে অন্যের কাছ থেকে পাওয়া এ দাক্ষিণ্যকে অপব্যবহার করছে বলে অভিযোগ আছে। গত বছর ১ লাখ পাউন্ডের ওপরে সংগৃহীত প্রতি দশটির একটি চ্যারিটি তহবিল নিয়ে হয়েছে জালিয়াতি। কমিশন জনগণের দানের অর্থ তাদের ইচ্ছেমতো নির্ধারিত খাতে যাতে ব্যয় হয় তা নিশ্চিত করতে চায়। দান করার আগে দানের এ অর্থ তাদের পছন্দ অনুযায়ী খাতে ব্যয় হবে কি না দাতাদের তা নিশ্চিত হতে হবে, দাতাদের প্রতি কমিশনের পরামর্শ এমনই।

খতিয়ে দেখেন না দাতারা

চ্যারিটি কমিশনের প্রধান নির্বাহী সাম ইয়ংগার বলেন, আমরা জানি প্রতি ৫ জন চ্যারিটি দাতার মধ্যে মাত্র ২ জন দান করার আগে দান গ্রহীতা সংগঠনগুলোর বিস্তারিত খতিয়ে দেখেন। বাকি ৩ জন এসব খতিয়ে না দেখেই দান করে থাকেন। ফলে দু:খজনক হলেও সত্য যে, এই খতিয়ে না দেখার ফলে ভুয়া চ্যারিটি তহবিল সংগ্রহ হয়, যা জনকল্যাণে ব্যবহৃত না হয়ে ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

কমিশনের প্রধান নির্বাহী বলেন, এবারের রমজানে যদি কেউ দান করতে চান, তবে সংগ্রহকারী চ্যারিটি সংগঠনের কাছে আগে জানা উচিত, তার এই দানকৃত অর্থ কোন খাতে ব্যয় হবে। দাতাদের নিশ্চিত হতে হবে, তাদের দানের অর্থ জনকল্যাণেই যাতে ব্যয় হয়। প্রকৃত চ্যারিটি সংগঠনগুলো খুশি মনেই দাতাদের প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দেবেন বলেও আমরা আশা করি- যোগ করেন সাম ইয়াংগার।

স্ট্রিট চ্যারিটি কালেকশনও হয়

ব্রিটেনে শুধু টিভি চ্যানেল নয়, রাস্তাঘাট ও আন্ডারগ্রাউন্ড স্টেশনের সামনেও বালতি বা বাক্স হাতে স্ট্রিট চ্যারিটি সংগ্রহ করা হয় ব্যাপকভাবে। এসব সংগ্রহ স্বচ্ছভাবে কতোটুকু সঠিক খাতে ব্যবহৃত হয় তা নিয়ে বিতর্ক অনেক দিন থেকেই চলছে।

মঙ্গলবার রাত থেকেই ব্রিটেনের বাংলা ও পাকিস্তানি টিভি চ্যানেলগুলোতে শুরু হয়েছে চ্যারিটি তহবিল সংগ্রহের অভিযান। অন্যান্য বছরের মতোই রমজানের পুরো মাসব্যাপী এ তহবিল সংগ্রহের অভিযান চলবে। এ সময়ে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে দেখা যাবে না কোনো বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান। টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে চ্যারিটি তহবিল সংগ্রহে ব্রিটেনের বাংলাদেশি টিভি চ্যানেলগুলোর চেয়ে পাকিস্তানি চ্যানেলগুলোই বেশি এগিয়ে আছে। এসব সংগ্রহের লাখ লাখ পাউন্ড অর্থ কোথায় যায়, কি খাতে খরচ হয় তা নিয়ে বিতর্ক চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

নিয়মে মেনেই চ্যারিটি আবেদন

টিভি চ্যানেল কর্তৃপক্ষ অবশ্য বলছেন, তারা ‘অফকম’ এর নিয়ম-কানুন মেনেই বিভিন্ন সংগঠনকে এই চ্যারিটি সংগ্রহের সুযোগ দিচ্ছেন।

ব্রিটেনের প্রথম বাংলাদেশি টিভি চ্যানেল বাংলা টিভির কর্ণধার সৈয়দ সামাদুল হক বাংলানিউজকে বলেন, চ্যারিটি তহবিল সংগ্রহের বিষয়ে চ্যারিটি কমিশনের নজরদারি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। প্রতি বছরই টিভি চ্যানেলগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে কমিশনের মিটিং হয়, কমিশন বিভিন্ন নিয়ম-কানুনও বেধে দেয় ফান্ড রেইজিংয়ের জন্য। এসব নিয়ম-কানুন এবং পাশাপাশি ‘অফকম’ নিয়ম মেনেই আমরা চ্যারিটি সংগঠনগুলোকে তহবিল সংগ্রহের সুযোগ দিই’।

জঙ্গি সহিংসতা বেড়ে যাওয়াই নজরদারির কারণ

চ্যানেল নাইন ইউরোপের হেড অব প্রডাকশন হাসান হাফিজুর রহমান পলক বাংলানিউজকে জানান, তহবিল সংগ্রহের সুযোগের জন্যে তাদের কাছে বিপুল সংখ্যক চ্যারিটি সংগঠন প্রতি বছর আবেদন করে থাকে। সব সংগঠনকে তারা চ্যারিটি আবেদনের সুযোগ দিতে পারেন না। আবেদনকৃত সংগঠনগুলো থেকে যাচাই করে কয়েকটি সংগঠনকে তারা চ্যারিটি আবেদনের সুযোগ দেন বলে বাংলানিউজকে জানান চ্যানেল নাইনের এই কর্কর্তা।

চ্যারিটি কমিশনের এবারের নজরদারির বিষয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কোনো কোনো দেশে জঙ্গি সহিংসতা চ্যারিটি কমিশনকে চ্যারিটি সংগ্রহের নজরদারি কঠোর করতে উৎসাহিত করতে পারে। শুধু চ্যারিটিতে নজরদারি নয়, সম্প্রতি ওইসব দেশে অর্থ প্রেরণের লক্ষ্যে গড়ে ওঠা মানি ট্রান্সফার কোম্পানিগুলোর মানি প্রেরণের সুযোগও বন্ধ করে দিয়েছে বার্কলেজ ব্যাংক। চ্যারিটি কমিশনের নজরদারি ও মানি ট্রান্সফার বন্ধ করে দেয়ার কারণও ওই একটিই হতে পারে, দক্ষিণ এশিয়ায় জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়া।

পলক বলেন, সংগ্রহকৃত তহবিল নিয়ে কিছু চ্যারিটি সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকতেই পারে। এগুলো চিহ্নিত করা চ্যারিটি কমিশনের দায়িত্ব। এক্ষেত্রে আমরা টিভি চ্যানেলগুলোও কমিশনকে সাহায্য করতে পারি।

জানতে চান প্রবাসীরাও

রমজানে বাংলাদেশি টিভি চ্যানেলগুলোতে চ্যারিটি আবেদন এখন সাধারণ জনগণের কাছেও অনেকটা বিরক্তিকর হয়ে উঠেছে। এ চ্যারিটি আবেদনের মাধ্যমে লন্ডন প্রবাসী বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে সংগ্রহ করা বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশে কিভাবে প্রবেশ করছে, তা নিয়ে অনেক আগে থেকেই বিতর্ক চলে আসছে।

লন্ডনপ্রবাসী অনেকের অভিযোগ, দেশে এসব অর্থ কিভাবে ঢোকে তা দেখার কোনো ব্যবস্থা নেই। কোরবানি, সিডর আক্রান্তদের সহায়তা, ঈদ-গিফট কিংবা এতিমখানার নামে তহবিল সংগ্রহ করা হচ্ছে। সংগ্রহ শুধু টেলিভিশন চ্যানেলের `ফান্ড রেইজিং` অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই হচ্ছে না, রাস্তায় রাস্তায় চ্যারিটি বক্স হাতে নিয়েও এ সংগ্রহ অভিযান চলে। বিভিন্ন ইসলামী সংগঠন অথবা প্রতিষ্ঠানের নামে এগুলো করা হচ্ছে।

দেশে মৌলবাদী জঙ্গি তৎপরতায় অর্থের জোগান দিতে তাদের সংগ্রহ করা তহবিল ব্যবহার করা হচ্ছে কি-না তাও নিশ্চিত হতে চান লন্ডন প্রবাসীরা। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ধর্মভীরু সাধারণ বাংলাদেশিদের কাছ থেকে ধর্মের দোহাই দিয়ে অসহায় মানুষকে সাহায্যের নামে এসব অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। সংগৃহীত এই লাখ লাখ পাউন্ড আদৌ সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌছে কি-না এটি নিয়ে লন্ডনের কমিউনিটিতে ব্যাপক সন্দেহ রয়েছে।

বর্তমানে লন্ডনে ছয়টি বাংলা টিভি চ্যানেল অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। প্রায় প্রতিটি চ্যানেলই রমজানে রাতভর প্রচার চালিয়ে এ ফান্ড রাইজিং অনুষ্ঠান করে। লন্ডনের বাংলা টিভি চ্যানেলগুলো বিগত রমজান মাসের ৩০টি রাতই ছিল `অর্থ সংগ্রহকারী’দের দখলে। এভাবে অর্থ সংগ্রহ নিয়ে সে সময় ব্রিটিশ মূলধারার কোনো কোনো মিডিয়াও প্রশ্ন তুলেছিল। ধর্ম ও অসহায় মানুষের নামে সংগৃহীত এই অর্থ বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে জঙ্গি তৎপরতায় ব্যয় হচ্ছে কি-না সরকারের সেদিকে কড়া দৃষ্টি রাখা উচিত বলেও অভিমত প্রকাশ করা হয়েছে।

রমজান যেন চাঁদা সংগ্রহের মাস

বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও দারিদ্র্যবিরোধী সংগঠনের ফান্ড রাইজিং নতুন কোনো বিষয় নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ সমস্ত আয়োজনকে বিভিন্ন দুর্যোগ কিংবা দুঃসময়ের জন্যে তুলে রাখা হয়। বিভিন্ন নামি-দামি চ্যারিটি প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে ফান্ড রেইজিং এর আয়োজন করে।

কিন্তু প্রচলিত এ ধারণাকে পাল্টে দিয়ে বিগত কয়েক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে, চ্যারিটি সংগঠনের নামে বিপন্ন বা দুর্গত মানুষের জন্য নয়, বরং  বিতর্কিত মৌলবাদী সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এরা পবিত্র রমজান মাসকে ফান্ড রেইজিং বা চাঁদা সংগ্রহের মাস হিসেবে পরিচিত করে তুলছে। আর এজন্যেই চ্যারিটি কমিশন রমজান মাসের চ্যারিটি আবেদনকে কেন্দ্র করে এখন শুরু করেছে নজরদারি।

রমজানে টেলিভিশনের পর্দায় মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্তা ব্যক্তিরা ঘন ঘন উপস্থিত হন। নানা অনুনয়-বিনয় করে তারা ধর্মভীরু মানুষের কাছে এসব অবকাঠামোগত উন্নয়নের নামে সাহায্য প্রার্থনা করেন। এভাবে তারা প্রতি বছর লাখ লাখ পাউন্ড সংগ্রহ করছেন। কিন্তু  এ ’উন্নয়ন কাজ’ আর শেষ হয় না। শেষ হয় না তাদের আবেদনও।

এক্ষেত্রে তারা কাজে লাগান ধর্মভীরু বাঙালিদের সাহায্যপ্রবণ মনোভাবকে। আর এজন্য মোক্ষম সময় হিসেবে তারা বেছে নেন রমজান মাসকে।

কিন্তু কমিউনিটির সচেতন অংশটি এরই মধ্যে এ অভিনব ফান্ড রেইজিং সিস্টেমের উদ্দেশ্য নিয়েই সন্দেহ পোষণ করতে শুরু করেছেন। তারা দেখতে পাচ্ছেন, অনেক ক্ষেত্রেই তাদের দান করা অর্থ নির্ধারিত কাজে লাগছে না। তাছাড়া একই কাজের কথা বলে তারা প্রতি বছর অর্থের জন্য আবেদন চালিয়ে যাচ্ছেন।

তাদের কারণে দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ-দুঃসময়ে দুর্গত বিপন্ন মানুষের জন্য প্রবাসীদের সাহায্য পাওয়াই কঠিন হয়ে পড়ছে। এক সময় দেশের দুর্যোগ দুঃসময়ে প্রবাসীরা উদার হস্তে অর্থ দান করতেন রাষ্ট্রীয় তহবিল অথবা সাহায্যকারী সংস্থাগুলোকে। আর এখন সে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে নামে-বেনামের এসব সংগঠন। এরা ধর্মভীরু মানুষকে বেহেশতের সার্টিফিকেট ও আখেরাতে মুক্তির আগাম নিশ্চয়তা দিচ্ছে।


বাংলাদেশ সময়: ১৭৩৫ ঘণ্টা, জুলাই ১১, ২০১৩

0 comments:

Post a comment

Popular Posts