Syed Anas Pasha

Syed Anas Pasha

Banglanews24.com: ব্রিটেনে বহুসংস্কৃতিবাদ কি সত্যিই পরাজিত?

সৈয়দ আনাস পাশা, লন্ডন করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ব্রিটেনে বহুসংস্কৃতিবাদ কি সত্যিই পরাজিত?<br><font color=green size=2>ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের মন্তব্য নিয়ে তোলপাড়</font>
লন্ডন: ‘মুসলমানদের ব্রিটিশ মূল্যবোধ মেনে চলতে হবে। ব্রিটিশ মূল্যবোধ না মানলে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ হয়ে যাবে’। এটা এক হূঁশিয়ারি। আর হুশিয়ারিটা দিয়েছেন স্বয়ং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। গত ৫ ফেব্রুয়ারি, জার্মানির মিউনিকে একটি নিরাপত্তা বিষয়ক কনফারেন্সে এমন মন্তব্য করে বোমা ফাটিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে বলেছেন ব্রিটিশ সমাজ থেকে বহুসংস্কৃতিবাদ বিতাড়িত হতে বসেছে। আর এজন্য তিনি পরোক্ষভাবে অভিযোগের তর্জনী তুলেছেন মুসলমান সম্প্রদায়ের দিকে। তার এই মন্তব্যের জের ধরে তোলপাড় চলছে পুরো ব্রিটিশ সমাজে; বিশেষ করে মুসলমানদের মধ্যে।

বলা হচ্ছে, এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে ক্যামেরন মুসলিম পরিচয়ধারী গুটিকয় জঙ্গি ও তাদের সংগঠনের অপকর্মের দায় পরোভাবে পুরো মুসলিম কমিউনিটির উপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছেন। ব্রিটিশ মিডিয়াও সরব বিষয়টি নিয়ে। সম্প্রতি মতাসীন কনজারভেটিব পার্টির চেয়ারপার্সন মুসলমান বংশোদ্ভূত সাঈদা ওয়ারসি ‘মুসলিম বিরোধিতা ব্রিটিশ সমাজে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে’ বলে মন্তব্য করে জল ঘোলা করেছিলেন। ডেভিড ক্যামেরনের  মন্তব্যের পর বিতর্কের আগুনে এবার কেরোসিন পড়লো।

কি বলেছেন ক্যামেরন?
মিউনিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন মুসলিম সম্প্রদায়কে ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘মুসলমানদের ব্রিটিশ মূল্যবোধ মেনে চলতে হবে।’ শুধু এই মন্তব্য করেই খান্ত হননি তিনি। এই বলে হুশিয়ারিও উচ্চারণ করেছেন, ‘ব্রিটিশ মূল্যবোধ না মানলে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতাও বন্ধ হয়ে যাবে।’ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর  অভিযোগ, ‘বহু সংস্কৃতিবাদের যে দর্শন ছিল ব্রিটিশ সমাজের ঐতিহ্য, চরমপন্থিদের কারণে এটি আজ অনেকটা ব্যর্থ ও পরিত্যাজ্য হওয়ার পথে। বহু সংস্কৃতির ব্রিটিশ সমাজে পরমত সহিষ্ণুতার ঐতিহ্যও আজ নির্বাসিত।’ ক্যামেরনের মতে, বাক স্বাধীনতা ও ধর্ম পালনের নিশ্চয়তা এবং গণতন্ত্র, সম অধিকার ও বর্ণবাদ বিরোধিতা রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্রিটিশ সমাজের বিশ্বাসের জায়গা। ধর্মীয় চরমপন্থা ও জঙ্গিবাদের ব্যাপক বিস্তৃতির কারণে সেটি আজ নির্বাসনে যেতে বসেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ‘বহু সংস্কৃতিবাদ’ এর দর্শন শুধু ব্যর্থ বলেই খান্ত হননি, ব্রিটেনের জন্যে নতুন করে একটি শক্তিশালী ‘জাতীয় পরিচয়’ প্রয়োজন বলেও অভিমত দিয়েছেন।

 প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, নতুন এই ‘জাতীয় পরিচয়’ চরমপন্থার দিকে ব্রিটিশ নাগরিকদের আকৃষ্ট হওয়া থেকে বিরত রাখবে। ডেভিড ক্যামেরন অভিযোগ করেছেন, কতিপয় সংগঠন ‘ইসলামিক চরমপন্থা’ কে ব্রিটিশ সমাজে পরিকল্পিতভাবে উপস্থাপন করছে। কয়েকটি মুসলিম গ্রুপ সরকারী অনুদান নিচ্ছে অথচ চরমপন্থা মোকাবেলায় কার্যকর কিছুই করছে না।

ক্যামেরন একটি কঠোর হুশিয়ারিও উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ব্রিটিশ সরকারের মন্ত্রী ও রাজনীতিবিদদের এইসব গ্র“পের সাথে এক প্লাটফর্ম ব্যবহার করা বা সম্পর্ক রাখা এখনই পরিত্যাগ করতে হবে। সন্দেভাজন ইসলামিক চরমপন্থি ঐসব গ্রুপ যাতে আর সরকারি অনুদান না পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। এরা যাতে ব্রিটেনের বিশ্ববিদ্যালয় ও কারাগারগুলোতে তাদের চরম মতবাদ প্রচার করতে না পারে, এখনই সেদিকে কঠোর নজরদারি শুরু করতে হবে।

ক্যামেরনের ভাষায়,‘ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা পরমত সহিষ্ণুতার বিপরীতে সন্ত্রাসের প্রয়োগ দেখেছি। এখন সময় এসেছে এ ব্যাপারে সজাগ হওয়ার।’ ব্রিটেনে কর্মরত মুসলিম সংগঠনগুলোকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের মুখোমুখি দাড় করিয়ে দিয়েছেন, ‘ইসলামী সংগঠনগুলো কি মহিলা,অন্য ধর্মাবলম্বীসহ সবার সার্বজনীন মানবাধিকারে বিশ্বাসী? তারা কি সবার সম অধিকারের স্বীকৃতি দেয়? নিজেদের পছন্দমত সরকার গঠনে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার নাগরিক অধিকারের প্রতি কি তারা শ্রদ্ধাশীল? সংহতি না বিভেদ, কোনটার প্রতি তাদের উৎসাহ?’

মুসলিম সংগঠনগুলোর এসব প্রশ্নর স্পষ্ট জবাব দাবি করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন,এসব প্রশ্নের ইতিবাচক উত্তরের উপরই নির্ভর করে সংগঠন করার অধিকার তারা কতটুকু ভোগ করবে। ক্যামেরন অবশ্য স্বীকার করেছেন,  ‘বহু সংস্কৃতি’র দর্শন শ্বেতাঙ্গ কমিউনিটিতে একটি তৈরি করেছে, যারা মনে করে মাল্টিকালচারেলিজম শ্বেতাঙ্গদের প্রতি বরং অবিচারই করছে। এই ধারণা থেকে শ্বেতাঙ্গদেরও কেউ কেউ বর্ণবাদ ও পরমত সহিষ্ণুতার বিপরীতে হাঁটছে।

এ বিষয়টি স্বীকার করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলছেন, কোনো অশ্বেতাঙ্গ গ্র“প বা ব্যক্তির কাছ থেকে যখন ঠিক একই ধরণের অগ্রহণযোগ্য চরমপন্থা ও পরমত সহিষ্ণুতাবিরোধী কোনো বার্তা আসে, তখন ব্রিটিশ সমাজের সংহতি রায় আমাদের আরও সতর্ক হতে হয়, দাঁড়াতে হয় এদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি ক্যামেরন স্বীকার করেছেন, ইসলাম ও ইসলামিক চরমপন্থা এক বিষয় নয়।

ডেভিড ক্যামেরুন বলেন, যেসব মুসলিম গ্রুপ ব্রিটিশ সমাজের উদার মূল্যবোধ গ্রহণ করছে না তাদের  আরো ঘনিষ্টভাবে কাজ করার কৌশল নিয়ে ব্রিটেন নতুন করে ভাবছে। গণতন্ত্র, সম অধিকার ও ব্রিটেনের সংহতির পে কমিউনিটি গ্রুপগুলো ঠিকমত কাজ করছে কি না, ভবিষ্যতে তা কঠোরভাবে নজরদারির মধ্যে আনা হবে। এটি করতে যারা ব্যর্থ হবেন তাদের জন্যে আর কোন সরকারী অনুদান নয়।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বহু সংস্কৃতি’র দর্শন ধারণ করে বলেই ব্রিটেন ঐতিহ্যগতভাবেই সব সময় যার যার ধর্ম ও সংস্কৃতিচর্চায় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছে। বহু ধর্ম ও বহু সংস্কৃতির মিলনেই সমৃদ্ধ হতে চেয়েছে ব্রিটিশ সমাজ। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চরমপন্থার নামে সংহতি বিনষ্টকারী মতবাদের কারণে আমরা এতে ব্যর্থ হচ্ছি।

তিনি বলেন, সব ব্রিটিশ নাগরিকই ব্রিটিশ মূল্যবোধ, বাক স্বাধীনতা ও সম অধিকারের মূলমন্ত্রের প্রতি বিশ্বাসী এবং এটি উপস্থাপন করারও চেষ্টা করছে বলে আমার বিশ্বাস। আর এটি করতে হলে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে অভিবাসী কমিউনিটি ব্রিটেনের ইতিহাস ঐতিহ্য জানতে ঠিকমত ইংরেজি ভাষাজ্ঞান অর্জন করছে। এখন তাই ব্রিটেনের স্কুলগুলোতে একটি সার্বজনীন সংস্কৃতিকে মূলসূত্র ধরে ছাত্রছাত্রীদের শিাদান কারিকুলাম তৈরি করতে হবে।

জঙ্গিদের নেই ধর্ম, নেই সীমানা-- বলেছিলেন শেখ হাসিনা অথচ ক’দিন আগেই প্রখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক অ্যান্ড্রু গিলিগানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই লন্ডনে বসেই মন্তব্য করেছিলেন: ‘ধর্মান্ধতা আর জঙ্গিবাদের কোনো নির্দিষ্ট দেশকাল নেই।চরমপন্থি জঙ্গিদের কোন ধর্ম নেই, সীমানা নেই। এদের ভৌগোলিক সীমানা সারা পৃথিবী। স্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেছিলেন, ব্যক্তি বা গোষ্ঠি পর্যায়ে কারো কারো উগ্র চরমপন্থা  জাতিগত বা ধর্মগত পরিচয়ের মধ্যে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই উদার মন্তব্যের রেশ না ফুরোতেই জঙ্গি তৎপরতার জন্য পরোভাবে মুসলিম কমিউনিটিকে দায়ী করে বসলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন।

‘ব্রিটিশ সমাজে বহু সংস্কৃতিবাদের দর্শন ব্যর্থ’ বলে মন্তব্য করে ক্যমেরন অপ্রীতিকর বিতর্কই উসকে দিলেন । প্রশ্ন উঠেছে,  জঙ্গিরা কি শুধুই মুসলমান? জঙ্গি তৎপরতার দায় কি শুধুই মুসলিম কমিউনিটির?  এটি প্রতিরোধে রাষ্ট্র হিসেবে ব্রিটেনের যে ব্যর্থতা, তার দায় আসলে কার?

ব্যতিক্রম বাংলাদেশ
বিভিন্ন মুসলিম দেশে উগ্রপন্থিদের নাশকতার হুমকি বেড়েছে।  সে তুলনায় বাংলাদেশ কেন ব্যতিক্রম? সাংবাদিক গিলিগ্যানের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য। শান্তিপ্রিয় জাতি হিসেবে বাঙালির রয়েছে একটি ঐতিহাসিক পরিচয়। এদের সব ধর্মের মানুষ আছে পাস্পরিক সৌহার্দ্যরে মধ্যে। তাই এমন উদার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশে কোন অপশক্তিই  প্রশ্রয় পায় না।

মুদ্রার একটা দিকই দেখলেন ক্যামেরন
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলেছেন, চরমপন্থিদের অপকর্মের দায় পুরো মুসলিম কমিউনিটির উপর চাপিয়ে ব্রিটেনকে জঙ্গিবাদের হুমকি থেকে রা করতে পারবেন ক্যামেরন?

অনেকে বলছেন, ঢালাও অভিযোগ হাস্যকর। ধর্ম ইসলাম বলে চরমপন্থিদের পরিচয় শনাক্ত করতে গিয়ে যদি বলা হয় ‘মুসলিম জঙ্গি’। তাহলে বর্ণবাদী ব্রিটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি বা ইংলিশ ডিফেন্স লীগের পরিচয়ের আগে কি বলতে হবে ‘খ্রীষ্টান বর্ণবাদী’ বা  ‘ব্রিটিশ বর্ণবাদী’?

ব্রিটিশ সমাজের গভীরে প্রোথিত ‘বহুসংস্কৃতিবাদ’ রাতারাতি উপড়ে ফেলা যাবে না --একজন সাধারণ ব্রিটিশ নাগরিকও এটি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে। ক্যামেরণ কেন সেটি বুঝতে চাচ্ছেন না? জঙ্গি তৎপরতার দায় কি শুধুই মুসলিম কমিউনিটির? আর জঙ্গি-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ব্রিটিশ মিডিয়া বিভিন্ন সময় যেসব সংগঠনের দিকে তর্জনী তুলেছে, রাষ্ট্র হিসেবে ব্রিটেন কি সেগুলোকে নজরদারির আওতায় এনেছে? ভোটের রাজনীতিতে ফায়দা লোটার আশায় ব্রিটিশ রাজনীতিকদের অনেকেই প্রশ্নবিদ্ধ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের সাথে সখ্য রেখেছেন, রাখছেন।  এটি কি নজরে পড়ছে না ক্যামেরনের মত রাজনীতিকদের?

তোমারে বধিবে যে গোকুলে বাড়িছে সে...
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে ধর্মের নামে যারা মানুষ হত্যা করেছে, তাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়েছে ব্রিটেন। এর দায়ও কি মুসলমানদের? এভাবে ব্রিটেন কি নিজ আঙ্গিনায় নিজের হাতে বৃষবৃক্ষ রোপন করেনি? মত প্রকাশের স্বাধীনতার সুযোগে চিহ্নিত এই মানবতাবিরোধীরা দিনে দিনে তাদের শক্তি বাড়িয়েছে।  ব্রিটেনের ভোটের রাজনীতিতেও এরা এখন প্রভাব রাখার চেষ্টা করছে। আর ভোটের লড়াইয়ে জয়ী হবার লোভে মূলধারার কোন কোন রাজনীতিকও এখন ওই অপশক্তির প্লাটফর্মের দিকে ঝোঁকেন। তখন শান্তিপ্রিয় সাধারণ মুসলমানদের কি বা করার থাকে?

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর বর্ণবাদী ইডিএল ‘বহুসংস্কৃতিবাদ’ বিরোধী যে নতুন অপতৎপরতা শুরু করেছে এটির দায় কি করে এড়াবেন ক্যামেরণ? ইডিএল এর সাম্প্রতিক অপতৎপরতা কি ‘বহুসংস্কৃতিবাদ’ এর চেতনা ম্লান করছে না? যে তরুণরা ব্রিটেনের বহুসংস্কৃতিবাদের চেতনা বুকে ধারণ করে মিশে যেতে চায় ব্রিটিশ মূলধারায়। অথচ  দেশের প্রধানমন্ত্রীই ‘বহুসংস্কৃতিবাদ পরিত্যাজ্য হয়েছে’ বলে ঘোষণা দিয়ে বসে আছেন।  এ থেকে সৃষ্ট হতাশা কোন পথে টানবে তরুণ প্রজন্মকে?

বহু সংস্কৃতির মিলনে গড়ে ওঠো ব্রিটিশ সোসাইটির ভিতকে কেন এত নড়বড়ে ভাবছেন ক্যামেরন? ‘বহুসংস্কৃতির দেশ ব্রিটেন’ --বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে এই ঐতিহাসিক পরিচয় প্রতিষ্ঠিত করতে মুসলিম কমিউনিটির কি কোনই অবদানই নেই?

বলা হচ্ছে মাল্টিকালচারেলিজম ব্রিটিশ সোসাইটির চেতনার এত গভীরে প্রোথিত। এর টিকে থাকা নিয়ে যারা সংশয় প্রকাশ করবেন, ইতিহাসের কাছে তাদের অবস্থানই হবে ঝুঁকিপূর্ণ। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন কি এ সত্যটি অনুধাবন করার চেষ্টা করবেন?----চারদিক থেকে তীরের মতো ছুটে আসছে এই প্রশ্ন।

বাংলাদেশ সময় ১৮০০ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০১১

0 comments:

Post a comment

Popular Posts