Syed Anas Pasha

Syed Anas Pasha

সমকাল: কোথায় যাচ্ছে লাখ লাখ পাউন্ড?

সৈয়দ আনাস পাশা, লন্ডন থেকে
লন্ডন প্রবাসী বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে সংগ্রহ করা বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশে কীভাবে প্রবেশ করছে, তা দেখার কোনো ব্যবস্থা নেই। কোরবানি, সিডর আক্রান্তদের সহায়তা, ঈদ-গিফট কিংবা এতিমখানার নামে তহবিল সংগ্রহ করা হচ্ছে। সংগ্রহ চলছে চারটি টেলিভিশন চ্যানেলের 'ফান্ড রেইজিং' অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। বিভিন্ন ইসলামী সংগঠন অথবা প্রতিষ্ঠানের নামে এগুলো করা হচ্ছে। এগুলোর অধিকাংশ কর্মকর্তাই চিহ্নিত স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের সদস্য অথবা ইসলামী ছাত্রশিবির কিংবা অন্য কোনো ইসলামী ছাত্র সংগঠনের সাবেক নেতা। দেশে মৌলবাদী জঙ্গি তৎপরতায় অর্থের জোগান দিতে তাদের সংগ্রহ করা তহবিল ব্যবহার করা হচ্ছে কি-না নিশ্চিত হতে চান লন্ডন প্রবাসীরা।
মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী একটি মৌলবাদী সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ উলেল্গখযোগ্য কয়েকটি সংগঠনের লাখ লাখ পাউন্ড সংগ্রহ নিয়ে লন্ডনের কমিউনিটিতে চলেছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ধর্মভীরু সাধারণ বাংলাদেশিদের কাছ থেকে ধর্মের দোহাই দিয়ে অসহায় মানুষকে সাহায্যের নামে এই অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। সংগৃহীত এই লাখ লাখ পাউন্ড আদৌ সংশ্লিষ্টদের কাছে পেঁৗছে কি-না এটি নিয়ে লন্ডনের কমিউনিটিতে ব্যাপক সন্দেহ দানা বাঁধছে। বর্তমানে লন্ডনে পাঁচটি বাংলা টিভি চ্যানেল অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে।
এর মধ্যে চারটি বাংলা টিভি চ্যানেলে রাতভর প্রচার চালিয়ে এই ফান্ড রেইজিং অনুষ্ঠান করা হয়। উদ্যোক্তা সংগঠনের অধিকাংশই বাংলাদেশের বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। লন্ডনের বাংলা টিভি চ্যানেলগুলো বিগত রমজান মাসের ৩০টি রাতই ছিল 'অর্থ সংগ্রহকারী'দের দখলে। এভাবে অর্থ সংগ্রহ নিয়ে সে সময় ব্রিটিশ মূলধারার কোনো কোনো মিডিয়াও প্রশ্ন তুলেছিল। ধর্ম ও অসহায় মানুষের নামে সংগৃহীত এই অর্থ বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে জঙ্গি তৎপরতায় ব্যয় হচ্ছে কি-না সরকারের সেদিকে কড়া দৃষ্টি রাখা উচিত বলেও অভিমত প্রকাশ করা হয়েছে।
রমজান শেষ হতে না হতেই পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সম্প্রতি আবার শুরু হয়েছে অর্থ সংগ্রহ। একই সঙ্গে জাকাত, ছদকা, ঈদ-গিফটের নামেও চলছে অর্থ সংগ্রহ। কয়েকটি চ্যারিটি সংগঠন ও বাংলাদেশের কয়েকটি মাদ্রাসার নাম ব্যবহার করছে তারা। ফান্ড রেইজ চলে সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোররাত ৪টা পর্যন্ত। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের ডোনেশন হটলাইন খোলা থাকে ২৪ ঘণ্টা। কেউ আদায় করছে সমগ্র বাংলাদেশে কোরবানির কথা বলে, কেউ নিচ্ছে সিডর-আইলা আক্রান্ত এলাকার জন্য আর কেউবা তুলছে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের জন্য।
গত ৪, ১১ ও ১৫ নভেম্বর মুসলিম এইড, ইসলামিক রিলিফ, ইকরা ও গ্গ্নোবাল এইড ট্রাস্ট নামে চারটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কিউএফসি (কোরবানি ফ্যামিলি কমিটমেন্ট) নাম দিয়ে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাপী কোরবানির জন্য লন্ডনের একটি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ শুরু করে। কিউএফসি এ বছর বাংলাদেশে ৫০ হাজার কোরবানি করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট টিভি চ্যানেলটি একটি লাইভ অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেয়। ঘোষণায় বলা হয়, চ্যারিটি সংস্থা মুসলিম এইড বাংলাদেশের সিডর আক্রান্ত এলাকায় মোট ১৩ হাজার পশু কোরবানি করবে। সংগঠনটির নেতৃত্বে রয়েছে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত এবং মুক্তিযুদ্ধবিরোধী সংগঠন জামায়াতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বর্তমানে লন্ডনে বাস করে এমন একজন ব্যক্তি।
তাদের ঘোষণা অনুযায়ী, রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বে রয়েছে ইসলামিক রিলিফ। গ্গ্নোবাল এইড ট্রাস্ট খুলনা, বাগেরহাট, মোরেলগঞ্জ এলাকায় এবং ইকরা বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে। তিনটি সংগঠনই প্রতিটি বিভাগে ১৩ হাজার করে পশু কোরবানি করবে বলে জানানো হয়েছে। কোরবানির অর্থের পাশাপাশি তারা ঈদ-গিফটের নামেও অর্থ আদায় করছে। প্রতি পরিবারের জন্য ঈদ-গিফট হিসেবে ৩০ পাউন্ড (বাংলাদেশি টাকায় তিন হাজার টাকা) দেওয়ার কথা বলে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশের এক লাখ পরিবারের জন্য এই ঈদ-গিফট মানি সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। ডোনেশন হটলাইন-০২০৭-৩৭৭-৪২০০ নম্বরে ফোন করে বিস্তারিত তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।
কিউএফসির বিস্তারিত হলো : কিউএফসি, কোরবানি অ্যাপিল ডোনেশন-০২০৭-৩৭৭-৪২০০, স্টুডিও হটলাইন-০২০০৭-৮ ৫২৩ ৪১১১। লয়েডস টি এসবি ব্যাংক, শর্টকোড-৩০-৯৪-২১, অ্যাকাউন্ট নং-০১২০৪১৫১। তারা কোরবানির জন্য একটি গরুর মূল্য ৩০০ পাউন্ড (বাংলাদেশি টাকায় ৩৪ হাজার টাকা) এবং খাসির মূল্য ৬০ পাউন্ড (বাংলাদেশি টাকায় সাত হাজার টাকা) হিসাবে অর্থ সংগ্রহ করছে। অংশীদারভিত্তিক গরু কোরবানির ক্ষেত্রে এক নামে ৫০ পাউন্ড (ছয় হাজার টাকা) হিসাবে আদায় করা হচ্ছে।
যেসব সংগঠন কিউএফসির মাধ্যমে কোরবানি বাবদ অর্থ সাহায্য চাচ্ছে তাদের প্রত্যেকেই বাংলাদেশের একটি মৌলবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। কিউএফসির সদস্য ইকরার প্রতিনিধি হিসেবে টিভি পর্দায় যাদের দেখা গেছে, তাদের অনেকেই ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা ও কর্মী। গ্গ্নোবাল এইড ট্রাস্ট ও ইসলামিক রিলিফের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত, সবাই ইসলামিক ফোরাম ইউরোপ এবং দাওয়াতুল ইসলামের সঙ্গে জড়িত। কেউ আবার ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা।
মিফতাহুল কোরআন এডুকেশন ট্রাস্ট-মুফতির চক মাদ্রাসা সিলেট : আপিল ফর কোরবানি অ্যান্ড মাদ্রাসা চ্যারিটি নং-১১২১৮৫, নেট ওয়েস্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নং-৫৬০৯৩৯৪২, শর্টকোড-৬০-১৪-২৬। সিলেট সদরের খাদিমপাড়া ইউনিয়নের মুফতির চক মাদ্রাসা টিভি পর্দায় তথ্য প্রদর্শন করেছে মাদ্রাসার উন্নয়ন ও কোরবানির কথা বলে। গত ৩১ অক্টোবর লন্ডনের বাংলা টিভির মাধ্যমে তারা সংগ্রহ করে বাংলাদেশি টাকায় তিন কোটি টাকা। এর ভেতর মাদ্রাসার আশপাশ এলাকায় কোরবানি করার জন্য ২৮০টি গরু কোরবানির অর্থ আদায় করা হয়। প্রতিটি গরুর মূল্য ৩৫ হাজার টাকা হিসাবে তারা আদায় করেছে। অনলাইনে ফোন করে জানা যায় মাদ্রাসাটির অবস্থান সিলেট উপশহরের কাছাকাছি।
হিউম্যান হেল্প ট্রাস্ট : প্রতিষ্ঠানটি গত ৯ নভেম্বর লন্ডনের একটি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাট এলাকায় গরুপ্রতি ২৪০ পাউন্ড, খাসি ৯৫ পাউন্ড ও গরুর প্রতিটি ভাগ (অংশ) বাবদ ৫০ পাউন্ড হিসাবে ২২০টি কোরবানির জন্য অর্থ সংগ্রহ করে। টিভি পর্দায় অর্থ সংগ্রহ করতে যে ঠিকানা দেখানো হয় তা হচ্ছে এইচএসবিসি ব্যাংক, অ্যাকাউন্ট নং-৮১৭০৯৪৯৬, শর্টকোড নং-৪০-০২-৩৩, চ্যারিটি নং ১১৩১৭৪১।
আজিজিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট : মৌলানা মনোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি গত ১২ নভেম্বর বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে কোরবানি করার কথা বলে ৩১৬টি গরু ও ১২৩টি খাসি কোরবানি বাবদ অর্থ আদায় করেন। প্রতিটি গরুর মূল্য ২৯০ পাউন্ড, খাসির মূল্য ৮০ পাউন্ড হিসাবে অর্থ চাওয়া হয়। টিভি পর্দায় তাদের বিস্তারিত তথ্য হিসেবে বার্কলেস ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নং-৭০৫৯৮৩৭২, শর্টকোড-২০-৫৩-০০ উল্লেখ করা হয়। জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যানের নাম ফজলুর রহমান। তিনি সিলেটি না হওয়ায় নিজে টিভি পর্দায় না এসে তার পক্ষে সিলেটি মৌলানা আবদুল ওয়াহিদ নামে এক ব্যক্তিকে পাঠিয়েছেন।
লয়লা আর্জেন্ট পুয়র হেল্প কোরবানি আপিল : এ প্রতিষ্ঠানটি গত ১৪ নভেম্বর একটি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করে। টিভি পর্দায় সংগঠনটির ঠিকানা হিসেবে চ্যারিটি নং-১১২৫৪৫৩, অ্যাকাউন্ট ৩৩৬৫২৪৯১ ও শর্টকোড ২০-৬৬-৫২ বার্কলেস ব্যাংক দেখানো হয়। সিলেট শহরের গরিব এলাকায় সংগঠনটির পক্ষ থেকে কোরবানির কথা বলে ১২০টি গরু ও ৪৪ খাসি কোরবানির জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হয়। তারা গরু বাবদ মূল্য ধরেছে ৩০০ পাউন্ড ও খাসি ৯০ পাউন্ড। টিভি পর্দায় দেখা যায় মৌলানা আবদুল কুদ্দুস ও আবদুল ওয়াহিদ নামে দুই ব্যক্তিকে।
মুসলিম চ্যারিটি কোরবানি : ১৪ নভেম্বর আরেকটি টিভি চ্যানেলে মুসলিম চ্যারিটি কোরবানি অ্যান্ড ফুড প্যাক আপিল নামে কয়েক হাজার কোরবানির জন্য অর্থ আদায় করে এ সংস্থাটি। টিভি স্ক্রিনে দেখানো হয়, এই অর্থ আদায় করা হচ্ছে আফগানিস্তান-পাকিস্তান-কাশ্মীর-বাংলাদেশ, ইথিওপিয়া ও সুদানের জন্য। টিভি পর্দায় দেখা যায় ভারত-পাকিস্তান ও বাংলাদেশি কয়েকজন আলেমকে। তারা সবাই লন্ডনে বাস করেন। এই চ্যারিটি প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে কয়েকজন ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত পাকিস্তানি। বাংলাদেশেও তারা ৩০০টি কোরবানি করবে বলে জানায়।
জালালীয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট : অর্গানাইজ বাই হিউম্যান হেল্প ট্রাস্ট : এইচএসবিসি ব্যাংক, অ্যাকাউন্ট নং-৮১৭০৯৪৯৬, শর্টকোড ৪০-০২-৩৩ ঠিকানার প্রতিষ্ঠানটি গত ১৫ নভেম্বর একটি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে ৪০৭টি কোরবানির জন্য অর্থ সংগ্রহ করে। অনলাইনে ফোন করে জানা যায়, তারা বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে এই কোরবানি আদায় করবেন। মৌলানা আবদুল ওয়াহিদ নামে এক ব্যক্তি এই অর্থ আদায় করেন।
আলহেরা ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট : অর্গানাইজ বাই হিউম্যান হেল্প ট্রাস্ট : সংগঠনটি ১৬ নভেম্বর হিউম্যান হেল্প ট্রাস্টের চ্যারিটি ও অ্যাকাউন্ট নম্বর ব্যবহার করে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে কোরবানি ও ঈদ-গিফটের নামে ২০ হাজার পাউন্ড কালেকশন করে। ডোনেশন অনলাইন-০২০৮ ৯৮৫ ৩৩৮৩ নম্বরে ফোন করে জানা যায়, তারা সিলেট অঞ্চলে কোরবানি করবে ২১৪টি। সে সঙ্গে ২০০ দরিদ্র পরিবারকে তিন হাজার টাকা করে নগদ বিতরণ করবে।
ইউকে চিলড্রেন এইড ট্রাস্ট ফান্ড বাংলাদেশ : ইউকে চিলড্রেন এইড ট্রাস্ট ফান্ড বাংলাদেশ নামে এ সংস্থাটি কয়েক বছর ধরে অসহায় ও এতিমদের আশ্রয়ের নামে ফান্ড কালেকশন করে আসছে। গত রমজান মাসেও এ সংগঠনটি কয়েক লাখ টাকা তহবিল সংগ্রহ করে। গত ১৬ নভেম্বর একটি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে এতিমদের ঈদ-গিফট ও কোরবানির কথা বলে তারা প্রায় দুই কোটি টাকা তোলে। এতে বলা হয়, তারা এ বছর ঈদুল আজহায় এক হাজার এতিমকে সাহায্য করবে, সে সঙ্গে হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ এলাকার দিনারপুরে ৩০০ কোরবানি আদায় করবে। তাদের ফান্ড রেইজিং অনুষ্ঠানে সংস্থাটির চেয়ারম্যান পরিচয়দানকারী আইয়ুব আলী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের মুফতি আবদুল মোন্তাকিম, মৌলানা আবদুল হানিম ও আরেকজন ব্যক্তিকে দেখা যায়। ব্যাংক ডিটেইলস লয়েডস টিএসবি ব্যাংক, অ্যাকাউন্ট নম্বর-০৩৯১৮৯২৬, শর্টকোড নম্বর ৩০-৯৯-০৬, চ্যারিটি নং-১১১২৭০৬।
নিউহ্যাম ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট : এ সংগঠনটি ১৬ নভেম্বর আরেকটি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে কোরবানি, ঈদ-গিফট ও গরিবদের ঘর নির্মাণের জন্য ফান্ড সংগ্রহ করে। এতে দেখানো হয়, প্রতিটি গরু কোরবানির জন্য ২৮০ পাউন্ড, খাসি ৬০ পাউন্ড, গরু বা মহিষের একটি অংশ ৫০ পাউন্ড, একটি ঘর নির্মাণ বাবদ ৩০০ পাউন্ড, ঈদ-গিফট ৫০ পাউন্ড। ডোনেশন হটলাইন-০২০৭ ৪৭৬৭৪৩০ নম্বরে ফোন করে জানা যায়, এ বছর তারা বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে ৩৫০টি কোরবানি আদায় করবে, সে সঙ্গে প্রতিটি দরিদ্র পরিবারকে দেওয়া হবে নগদ পাঁচ হাজার টাকা করে। এ সময় টিভির পর্দায় মৌলানা আবদুর রহিম নামে এক ব্যক্তিকে দেখা যায়। তাদের ব্যাংক ডিটেইলস বার্কলেস ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর-৬০৯৮৬৯৩৩, শর্টকোড-২০-৬৭-৮৮ ও চ্যারিটি নং-১১০৬৫০১।

২৫ নভেম্বর'২০০৯
Link to Article

0 comments:

Post a comment

Popular Posts